ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫, ০৮:৫৯ এএম
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫, ০৮:৫৯ এএম
মঙ্গলবার রাজধানীর পানিভবনে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেনের সঙ্গে বৈঠকে এই আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
বৈঠকে উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, “সম্প্রতি বনভূমির সংকোচন ও খাদ্যঘাটতির কারণে হাতির মৃত্যুর ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে হাতি-মানুষ দ্বন্দ্বপ্রবণ এলাকায় বন পুনরুদ্ধার এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি আরও বলেন, “টেকসই বন ব্যবস্থাপনায় এখনই কার্যকর ও যৌক্তিক পদক্ষেপ জরুরি।”
বৈঠকে পরিবেশ সংরক্ষণ, টেকসই পর্যটন ও উন্নয়ন কার্যক্রমে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। উপদেষ্টা জানান, সিলেটসহ দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা বিভিন্ন অঞ্চলে ইকো-ট্যুরিজম স্পট গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা পরিবেশের ওপর সর্বনিম্ন প্রভাব ফেলবে।
রাষ্ট্রদূত রামিস সেন বাংলাদেশের পরিবেশ সংরক্ষণের প্রচেষ্টার প্রশংসা করে জানান, তুরস্কের সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থা টিকা ঢাকায় ইতোমধ্যে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, “টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশবান্ধব খাতে মাঝারি পরিসরের প্রকল্প বাস্তবায়নে টিকা প্রস্তুত।”
রাষ্ট্রদূত আরও জানান, টিকার ঢাকা অফিস এবং উপদেষ্টার দপ্তরের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে সম্ভাব্য প্রকল্প চিহ্নিত ও বাস্তবায়নে সহায়তা করা হবে। পাশাপাশি, টিকার সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সঙ্গে উপদেষ্টার সংযোগ স্থাপনেও সহায়তা করা হবে।
বৈঠকে তুরস্ক দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন মারভে ওজচেলিক এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে উভয় পক্ষ বন পুনরুদ্ধার ও ইকো-ট্যুরিজম খাতে যৌথভাবে কার্যকর ও দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্প গ্রহণে আন্তরিক সহযোগিতার অঙ্গীকার করেন।